1. admin@clicksports24.com : Click Sports :
  2. ovimani9649@gmail.com : Minhaz :
  3. rezwan.sheikh@outlook.com : Reporter Aysha : Reporter Aysha
  4. kibtiahaque54@gmail.com : Reporter Kibtia :
শহরগুলোতে দেহব্যবসায় ঝুঁকছেন করোনায় কর্মহীন শিক্ষার্থীরা
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৮:০২ অপরাহ্ন

শহরগুলোতে দেহব্যবসায় ঝুঁকছেন করোনায় কর্মহীন শিক্ষার্থীরা

সাংবাদিকঃ কিবতিয়া
  • আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

কোভিড-১৯ সংক্রমণ কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এর ছাপ পড়েছে সর্বত্র। বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন বিশ্বের হাজারো মানুষ।

বৈশ্বিক ম’হা’মা’রি’র প্রভাব বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগু’লোতেও। ইউরোপ-আ’মেরিকার দেশগু’লোর বড় বড় শহরগু’লোতেও হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে

গেছে। বহির্বিশ্ব থেকে যু’ক্তরাজ্য, যু’ক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ ইউরোপের দেশগু’লোতে যাওয়ার শিক্ষার্থী ও তরুণরা এসব রেস্তোরাঁয় কাজ করত।

এই উপার্জন দিয়ে পড়ালেখার খরচ আসত, সংসার চলত।করো’না ম’হা’মা’রি’র ফলে ব্রিটেনসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই পাব এবং

দোকানপাট বন্ধ। এসব স্থানে কাজ করে বহু শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফি পরিশোধ করতেন। এসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে

এসব শিক্ষার্থীর অনেকে সম্ভ্রম বিক্রির পথ বেছে নিচ্ছেন। এমতাবস্থায় এসব শিক্ষার্থীকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে দে’হপসারিণীদের ইউনিয়ন

ইংলিশ কালেকটিভ অব প্রস্টিটিউটস (ইসিপি)।তারা বলেছে, তাদের কাছে এ বছর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজপড়ুয়া বহু যুবতি সাহায্য চেয়ে

হেল্পলাইন্সে যোগাযোগ করছেন। তারা সম্ভ্রম নিয়ে ব্যবসা করতে চান। সেই অর্থ দিয়ে এসব শিক্ষার্থী তাদের ফি পরিশোধ করতে চান।

এ খবর দিয়েছে ব্রিটেনের ট্যাব’লয়েড পত্রিকা ডেইলি মেইল। ইসিপি বলেছে, এ বছর দে’হদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনকারী এমন শিক্ষার্থীর

সংখ্যা এরইমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বৃ’দ্ধি পেয়েছে। দে’হপসারিণীদের অধিকারবি’ষয়ক ওই গ্রুপটি আরও বলেছে, লকডাউন দেওয়ার ফলে অসংখ্য

শিক্ষার্থী আর্থিক সং’ক’টে পড়েছেন। ফলে দে’হব্যবসার মাধ্যমে উপার্জনকারী তরুণী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃ’দ্ধি পেয়েছে। ব্রিটেনের ওই পত্রিকাটির

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী নিজের ন”’গ্ন ছবি বিভিন্ন সাইটে বিক্রি করছে। কারণ বার এবং দোকানপাটে তাদের জন্য কোনো কাজ

নেই। তাই প্রতিদিন এভাবে অর্থ উপার্জন এবং এর স’ঙ্গে সংশ্লিষ্ট বি’ষয়ে পরাম’র্শ চেয়ে প্রতিদিন আট’জন যুবতি শিক্ষার্থী ওই ইসিপির কাছে

ফোন করছেন।এক্ষেত্রে কোনো কোনো ইউনিভা’র্সিটি নির্দেশনা প্রকাশ করছে। তাতে বলা হয়েছে, কী’ভাবে নিরাপদে দে’হ বিক্রি করতে হবে।

ইসিপির মুখপাত্র লরা ওয়াটসন বলেছেন, টিউশন ফি পরিশোধ করতে প”তি”তা”বৃ”ত্তি”তে যুবতি শিক্ষার্থীদের যু’ক্ত হওয়ার ঘটনা

উল্লেখযোগ্যভাবে বৃ’দ্ধি পেয়েছে। আমা’দের এই গ্রুপে যেসব যুবতি যু’ক্ত হয়েছেন তারা কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড ঋণ পরিশোধ করতে এ পেশায় এসেছেন। তিনি বলেন, করো’না ম’হা’মা’রি শুরুর পর থেকে অসংখ্য নারী তার চাহিদা মেটাতে যৌ’”ন”ক”র্ম”কে বেছে নিতে শুরু করেছেন। পাব এবং দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব যুবতির সামনে কোনো বিকল্প খোলা নেই।

তাই তারা বেঁচে থাকার জন্য এসব কাজ করছেন।১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসিপি। তখন থেকেই তারা যৌ’”ন”ক”র্মী”দে”র প্রতি বৈ’ষ’ম্যে’র প্রতিবাদে, তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মিসেস ওয়াটসন বলেন, প্রথমবার লকডাউন দেওয়ার পর গণহারে তরুণীরা অনলাইনের স’ঙ্গে যু’ক্ত হন। সুত্রঃ যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্লিকস্পোর্টস২৪.কম
ডেভেলপার বাই TravelGram
error: চুরি করা নিষেধ । 😏