রোনালদো-পেলেদের ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ গোলের ইতিহাস গড়লেন নেইমার ।

আর্জেন্টিনার জয়ের রাতে জিতেছে ব্রাজিলও। বিশ্বকাপ বাছাঁইয়ে মেসির হ্যাটট্রিকে বলিভিয়া কে উড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা ৷

এদিন লাতিন আমেরিকার সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েন মেসি। অন্যদিকে নিষে’ধাজ্ঞার কারণে প্রথম সারির ৮ খেলোয়াড়কে না পেলেও এক গোল ও অ্যাসিস্ট করে ব্রাজিলকে টানা অষ্টম জয় এনে দিয়েছেন নেইমা’র।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে পেরুকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। নেইমা’র একটি গোল করেছেন, এভেরতন রিবেইরোকে দিয়ে আরেকটা গোল করিয়েছেন।

নিজের গোল করেই অনন্য রেকর্দটা নিজের করে নিয়েছেন এই পিএসজি তারকা।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এই নিয়ে ১২টা গোল হয়ে গেল নেইমা’রের। এত বেশি গোল আর কোনো ব্রাজিলীয় তারকার নেই।

রো’নালদো, পেলে, রো’নালদিনিও, রোমা’রিও, আদ্রিয়ানো, জিকো, তোস্তাও, রিভেলিনো, গারিঞ্চা – কারওর না।

ম্যাচের শুরু থেকেই একক আধিপত্য নিয়ে খেলতে থাকে ব্রাজিল। এক সময় ৭৮ শতাংশ বলের দখল ছিল তাদের পায়ে।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে ঘুরে দাঁড়ায় পেরু। শেষ পর্যন্ত ৪২ শতাংশ ছিল তাদের পায়ে। এমনকি ব্রাজিলের দুটি শটও বেশি করে তারা।

যদিও বড় কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি দলটি।

ম্যাচের দশম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ব্রাজিল। অসাধারণ দক্ষতায় বাঁ প্রান্ত থেকে নেওয়া গারসনের শট ঠেকান পেরুর গোলরক্ষক।

তবে চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় দলটি। নেইমা’রের কাটব্যাক থেকে বু’দ্ধিদী’প্ত শটে বল জালে পাঠান এভারটন রিবেইরো।

৩৩তম মিনিটে নেইমা’রের বাড়ানো বল ধরে ডান প্রান্তে লুকাস পাকেইতাকে দারুণ এক পাস দিয়েছিলেন এভারটন।

তবে তার শট কর্নারের বিনিময়ে ব্লক করেন পেরুর এক ডিফেন্ডার। সুযোগ ছিল কর্নার থেকেও। দারুণ এক হেড দিয়েছিলেন পাকেইতা। তবে অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

সাত মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর ভালো সুযোগ ছিল ব্রাজিলের। দানিলোর পাস গ্যাব’্রিয়েল বারবোসার কাটব্যাক এক ডিফেন্ডার ঠেকালে আলগা বল পেয়ে যান এভারটন।

তার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন পেরু গোলরক্ষক পেদ্রো গেলেস। ৫৯তম মিনিটে ব্যবধান কমাতে পারতো পেরু।

ফ্রি কিক থেকে ফাঁ’কায় হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন এদিসন ফ্লোরেস। কিন্তু তার হেড গোলরক্ষক বরাবর যাওয়ায় সহজেই তা ধরে ফেলেন ওয়েভারটন।

৭২তম মিনিটে জিয়ানলুকা দূরপাল্লার এক অসাধারণ শট নিয়েছিলেন। তবে লাফিয়ে উঠে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক ওয়েভারটন।

৮৫তম মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারতো ব্রাজিল। সতীর্থের থ্রু পাসে একেবারে ফাঁ’কায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন বদলি খেলোয়াড় হাল্ক।

তবে দুরূহ কোণ থেকে লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। উল্লেখ্য, এই নিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ৬৯টা গোল হয়ে গেল নেইমা’রের।

১১২ ম্যাচ খেলে ৪৯টা গোলে সহায়তাও করেছেন। এবারের বাছাইপর্বে এই নিয়ে ছয়টি ম্যাচ খেলেছেন নেইমা’র।

গোল করেছেন ছয়টি, পাঁচটি গোলে সহায়তাও করেছেন।

error: চুরি করা নিষেধ । 😏